Home » খেলা » ‘কী রে, টেস্ট খেলবি নাকি…!’
8

‘কী রে, টেস্ট খেলবি নাকি…!’

নিউজিল্যান্ডের ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভ এবং ক্রাইস্টচার্চ, দুটি ভেন্যুতে ২তি টেস্ট ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।তবে তাসকিনের কোন ভেন্যুতে টেস্ট অভিষেক হতে যাচ্ছে তা এখনো আনুষ্ঠিক ঘোষণার অপেক্ষায়। সব কিছু ঠিক থাকলে অভিষেকটা ওয়েলিংটনের প্রথম টেস্টেই হতে পারে। ঘাসের কার্পেটে ঢাকা নিউজিল্যান্ডের সবচেয়ে।ব্রেকিং২৪.কম। পুরোনো টেস্ট ভেন্যু বেসিন রিজার্ভের উইকেট দেখে সে কারণেই আজ চকচক করে উঠল ২১ বছর বয়সী এই পেসারের চোখ। এ যেন স্বপ্ন পুরনের হাসি।

তাসকিন হাসছেন। তাকে নিয়ে সতীর্থরাও হাসছে। বাংলাদেশের অনুশীলনে হাসির ফোয়ারা। সেই ফোয়ারার উৎস কোথায়? তাসকিন আবার হাসেন, “দলের সবাই এখন আমাকে দেখছে আর হাসছে, ‘কী রে, টেস্ট খেলবি নাকি!’ সবাই হেসে হেসে বলছে। আমারও ভালো লাগছে, কারণ স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। টিমমেটরা সবাই উৎসাহ দিচ্ছে। কোচরা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছেন। সবাই অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।”
হ্যাঁ, তাসকিনের হাসি স্বপ্ন সত্যি হতে চলার হাসি। যে গলিপথ ধরে বেরিয়ে এলেন, সেটি আসলে স্বপ্ন পূরণের করিডোর। ছোঁয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা!

১ম টেস্ট স্কোয়াডে রাখা হয়েছে তাকে। এদিকে মাঠও প্রস্তুত। সংবাদ সম্মেলনে তাসকিন তার স্বপ্ন নিয়ে বলেন,

—‘টেস্ট অভিষেক হলে একটা স্বপ্ন পূরণ হবে।’ তবে নিজের প্রথম টেস্টটা নিউজিল্যান্ডের মাটিতে হচ্ছে দেখেই তাসকিনের রোমাঞ্চটা অন্যদের চেয়ে বেশি, ‘নিউজিল্যান্ডের মতো কন্ডিশনে প্রথম টেস্ট খেলব, নিজেকে সৌভাগ্যবানই মনে হচ্ছে। তবে অন্য যেকোনো জায়গায় হলেও নিজেকে সৌভাগ্যবান ভাবতাম। কারণ, আমার টেস্ট খেলাটাই তো সৌভাগ্যের ব্যাপার।’
তাসকিনের বিশ্বাস, নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী বল করতে পারলে এই উইকেটে বাংলাদেশের বোলাররাও পারবেন কিউই ব্যাটসম্যানদের ।ব্রেকিং২৪.কম।সমস্যায় ফেলতে, ‘আমাদের দলে বেশ কয়েকজন ভালো বোলার আছে। আমাদের বিশ্বাস, এই বোলিং-শক্তি নিয়ে আমরা ভালো কিছুই করব। আমরা যে সেটি পারি, তা আগেও প্রমাণ করেছি।’
টেস্ট অভিষেক হয়তো এই সিরিজেই হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট তাসকিন সর্বশেষ খেলেছেন ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে। নেটের বাইরে লাল বলে বোলিং করার অভ্যাসটা তাঁর অনেক কম। দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটের লম্বা স্পেলে বোলিং করার অভিজ্ঞতা তো তাসকিনের নেই বললেই চলে। ২৩টি ওয়ানডে ও ১৪টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা তাসকিন তবু আত্মবিশ্বাসী, ‘টেস্টে সুযোগ পেতে আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে। বিসিবি থেকে শুরু করে দলের কোচিং-স্টাফরা সবাই অনেক সাহায্য করেছেন। আমার জন্য আলাদা প্রোগ্রাম পর্যন্ত করা হয়েছে। সেগুলো অনুসরণ করে বোলিং করার সক্ষমতা অনেক বাড়িয়েছি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <strike> <strong>